‏إظهار الرسائل ذات التسميات টপ টেন. إظهار كافة الرسائل
‏إظهار الرسائل ذات التسميات টপ টেন. إظهار كافة الرسائل

السبت، 16 أبريل 2022

বাঁধ নির্মাণে দূর্নীতির বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো: কৃষিমন্ত্রী

বাঁধ নির্মাণে দূর্নীতির বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো: কৃষিমন্ত্রী

 



বাঁধ নির্মাণে পিআইসির দূর্নীতি অনিয়মের কথা প্রধানমন্ত্রীকে বলবেন জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড.মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের দিকে যাচ্ছে। দেশে আজ খাদ্য ঘাটতি নেই, সংকট নেই, হাহাকার নেই সুতারাং হাওরের কৃষকরা না খেয়ে থাকবে না। যে সকল কৃষকদের বোরো ধান তলিয়ে গেছে, তাদেরকে খাদ্য সহায়তা করা হবে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চাপতির হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন শেষে তিনি এই সব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন,হাওরের ধান তোলা নিয়ে আমি সব সময় আতংকে থাকি, কখন কি হয়। কারণ প্রকৃতির উপর আমাদের হাত নেই। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ যাতে প্রতি বছর ডিসেম্বরের আগে শুরু করা যায়, সেটা নিয়েও আমি কথা বলব।

হাওরের পুরো ধান যদি নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে চালের দাম অব্যশই বাড়বে। তখন কেউ বলবে না, হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। বলে চালের দাম বেড়েছে। তখন দেশের বিরোধী দলসহ সবাই খাদ্য মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাব চাইবে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-সুনামগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শামিমা আক্তার খানম প্রমুখ।

الخميس، 9 ديسمبر 2021

 সিলেটে ফের শুরু হচ্ছে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান কার্যক্রম

সিলেটে ফের শুরু হচ্ছে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান কার্যক্রম

 


সিলেট মহানগরীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী সোমবার মহানগরের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী এই টিকা গ্রহণ করবে। প্রাথমিক অবস্থায় ২৫ হাজার ৩ শত ৯৪ জন স্কুল শিক্ষার্থী এই ভ্যাকসিনের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন চারটি কেন্দ্রে নগরের বিভিন্ন স্কুলের মোট ৬ শত শিক্ষার্থীদের এ টিকা প্রদান করা হবে।কেন্দ্রগুলো হলো, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পুলিশ লাইনস উচ্চ বিদ্যালয়।

এর আগে  গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা বিভাগের মানিকগঞ্জ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১২০ স্কুল শিক্ষার্থীর মধ্যে ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এসব শিক্ষার্থী কোনো সমস্যায় না পড়ায় পরবর্তীতে সারাদেশের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করে সুরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) গত ১৭ অক্টোবর মাধ্যমিকের স্কুল শিক্ষার্থীদের তথ্য চায়। পরে গত নভেম্বরের শুরুতে ১ লাখ ৭০ হাজার স্কুল শিক্ষার্থীর তথ্য পাঠায় সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস।

সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, তথ্য পাঠালেও এসব শিক্ষার্থীকে তখন ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এজন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকতে হয়। কিন্তু সিলেটের স্কুলগুলোতে এই ব্যবস্থা না থাকায় ভ্যাকসিন প্রদান গতি পায়নি। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে ভ্যাকসিনের নিবন্ধন করতে গিয়েও সমস্যায় পড়ে। কেননা, অনেক শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদই অনলাইনে ছিল না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামী সোমবার সিলেট নগরের চারটি প্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া জন্মনিবন্ধন সনদের বাধ্যবাধকতাও এখন তুলে দেওয়া হয়েছে। এ চারটি স্কুলে অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার থেকে স্কুল শিক্ষার্থীদের ফাইজারের ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। চারটি স্কুলে প্রতিদিন ৬০০ করে ২ হাজার ৪শ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কেন্দ্রগুলোতে আমাদের লোকবল থাকবে। মহানগরীর ২৫ হাজার ৩ শত ৯৪ শিক্ষার্থীকে প্রথম ধাপে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। আমরা ভ্যাকসিন সরবরাহ করবো।’

الأربعاء، 13 أكتوبر 2021

 ফেসবুকের নিষিদ্ধ তালিকায় বাংলাদেশের যারা

ফেসবুকের নিষিদ্ধ তালিকায় বাংলাদেশের যারা

 


বিশ্বজুড়ে চার হাজার ব্যক্তি ও সংগঠনের একটি গো’পন কালোতালিকা বানিয়েছে ফেসবুক। এসব ব্যক্তি ও সংস্থাকে বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করছে সামাজিক মাধ্যমটি।

ফেসবুকের বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠন (ডিআইও) নীতি অনুসারে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথির বরাতে দ্য ইন্টারসেপ্ট এমন খবর দিয়েছে।

তালিকায় জ’ঙ্গিগোষ্ঠী, ঘৃ’ণাবাদী গ্রুপ, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, লেখক ও রাজনীতিবিদরা রয়েছেন। এতে বাংলাদেশি ছয় সংগঠন ও ব্যক্তিও আছেন। তারা হলো—আল-মুরসালাত মিডিয়া, ইস’লামিক স্টেট বাংলাদেশ, হারাকাত উল-জিহাদ ই ইস’লামি বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি), সাহাম আল-হিন্দ মিডিয়া।

কালোতালিকায় তরিকুল ইস’লাম নামের এক ব্যক্তিও রয়েছেন। তিনি অবশ্য জেএমবির সঙ্গে জ’ড়িত বলে জানা গেছে।

দ্য ইন্টারসেপ্ট বলছে, কালোতালিকার ৫৩ দশমিক সাত শতাংশ নাম সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এছাড়া ২৩ দশমিক তিন শতাংশ যু’ক্ত সশস্ত্র সামাজিক আ’ন্দোলনের সঙ্গে। ১৭ শতাংশ বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ায়, ৪ দশমিক ৯ শতাংশ অ’প’রাধমূলক কর্মকা’ণ্ডের জন্য এবং এক শতাংশ নাম ভায়োলেন্ট নন-স্টেট অ্যাক্টরস।

সামাজিকমাধ্যমটির তালিকায় নামগুলো তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে। স’ন্ত্রাসী সংগঠন, যারা বিদ্বেষ ছড়ায় এবং অ’প’রাধের সঙ্গে যু’ক্ত থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়। অর্থাৎ তাদের নাম স্তর-১ হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

আর সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে সশস্ত্র সামাজিক আ’ন্দোলনের সঙ্গে যু’ক্ত নামগুলো। দ্য ইন্টারসেপ্টের প্রতিবেদনে এদের বেশির ভাগই মা’র্কিন সরকারবিরোধী ডানপন্থী মিলিশিয়া, যাদের প্রায় সবাই শ্বেতাঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক সন্ত্রাসবাদী প্রপাগাণ্ডা ছড়াতে, সহিং’স ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে মুক্তভাবে প্রচার চালাতে সহায়তা করে—এমন অ’ভিযোগ থেকে বাঁচতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালে অনলাইন মাধ্যমে স’ন্ত্রাসী সংগ্রহ নিয়ে যু’ক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ও জাতিসংঘের হুঁশিয়ারির পর নতুন কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্স নির্ধারণ করে মা’র্ক জুকারবার্গের এই প্রতিষ্ঠান।

এতে যেসব সংগঠনের স’ন্ত্রাসী ও সহিং’স অ’প’রাধ তৎপরতার ইতিহাস আছে, সেগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরে তা বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠন (ডিআইও) নীতিতে পরিণত হয়। এই বিধিনিষেধ অনুসারে সাবেক মা’র্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে ফেসবুকে।

এর আগে এই তালিকা প্রকাশে অনীহার কথা জানিয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিকমাধ্যমটি। যু’ক্তি ছিল, এতে তাদের কর্মীরা বিপদে পড়তে পারেন। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাধারণ মানুষকে এই তালিকা দেখাতে হবে।

الأحد، 10 أكتوبر 2021

তা’লেবানের নিষেধাজ্ঞা উঠল, স্কুলে ফিরেছে মে’য়েরা

তা’লেবানের নিষেধাজ্ঞা উঠল, স্কুলে ফিরেছে মে’য়েরা

 


আ’ফগা’নিস্তানের বালখে প্রদেশে সপ্তম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছা’ত্রীদের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে তা’লেবান। বালখ প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের বরাত দিয়ে টোলো নিউজ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে মাজার-ই-শরিফের শিক্ষা বিভাগের প্রধান মৌলভী মোহাম্ম’দ নাইম বলখী জানান, আম’রা চাই সবাই যেন তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠায়। তাহলে তারা একটি ভাল ভবিষ্যৎ পাবে। কারণ একটি ভাল ভবিষ্যৎ, একটি উন্নত ও সুন্দর সমাজের জন্য প্রয়োজন একটি শিক্ষিত প্রজন্ম।

আ’ফগা’নিস্তানে চলতি বছরের আগস্টে সাবেক সরকারের পতনের পর থেকে রাজধানী কাবুলসহ দেশটির অধিকাংশ জায়গাতেই প্রথম শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত ছা’ত্রীদের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন থেকে বালখের সব ছা’ত্রীই স্কুলে যেতে পারবে।

বালখের এক ছা’ত্রী তামান্না জানান, কিছুটা হলেও বিশ্বা’স ফিরে এসেছে। শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও বেড়েছে। এমনকি শিক্ষার মানও উন্নত হয়েছে। তবে সব আগের মতো হয়ে গেছে তা বলা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে স্থানীয় আরেক ছা’ত্রী ফাতেমা জানান, স্কুলে আসার সময় নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ ভালোই থাকে।

বালখের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এই প্রদেশে ছয়শ’র বেশি স্কুল রয়েছে। সেসব স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ লাখেরও বেশি। যাদের মধ্যে অর্ধেকই ছা’ত্রী।

السبت، 9 أكتوبر 2021

সৌদিতে ড্রোন হামলায় ৩ বাংলাদেশি আহত

সৌদিতে ড্রোন হামলায় ৩ বাংলাদেশি আহত

 


সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ বিমানবন্দরে ড্রোন হা’মলায় অন্তত ১০ জন আ’হত হয়েছেন। এর মধ্যে আছেন তিন বাংলাদেশি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার শেষ রাতে এবং শনিবার ভোরের দিকে দুবার ড্রোন হা’মলা হয় বিমানবন্দরটিতে। ধারণা করা হচ্ছে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হা’মলা এটি।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রথম হা’মলায় সবাই আ’হত হন। আ’হতের মধ্যে ছয়জন সৌদি নাগরিক, তিন জন বাংলাদেশি এবং একজন সুদানের নাগরিক।

হা’মলায় বিমানবন্দরের সম্মুখভাগের কয়েকটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সরকার ও ই’রানসম’র্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে ল’ড়াই চলে আসছে। সে সময় রাজধানী সানা আক্রমণ করে মানসুর হাদির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে হুতি বিদ্রোহীরা। পরে ২০১৫ সালের মা’র্চে হাদি সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে দেশটিতে সাম’রিক হস্তক্ষেপ করে সৌদির নেতৃত্বাধীন সাম’রিক জোট।

এসবের জের ধরে সৌদি আরবে এর আগেও দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হা’মলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। তবে এই হা’মলার পর তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দায় স্বীকার করা হয়নি।

الأربعاء، 6 أكتوبر 2021

বিদ্রোহীদের দলে ফেরার পথ বন্ধ: শ্রীমঙ্গলে নানক

বিদ্রোহীদের দলে ফেরার পথ বন্ধ: শ্রীমঙ্গলে নানক

 


আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিদ্রোহী প্রার্থীরা আর দলে ফিরতে পারবে না।  এ ব্যাপারে দল অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে।  

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে স্টেশন সড়কে শ্রীমঙ্গলের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ভানু লাল রায়ের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।   

তিনি বলেন, যারা দলের সিদ্ধান্ত ও শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হয়েছেন তারা কখনোই আওয়ামী লীগার হতে পারেন না। তাদের জন্য দলের দরজা সবসময়ের জন্য বন্ধ থাকবে৷

নানক বলেন, আমরা আপনাদের ভোট পাওয়ার দাবি রাখি৷ নেত্রী  আপনাদের কাছে শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন। ভানু লাল রায়কে শেখ হাসিনা নিজে মনোনয়ন দিয়েছেন।  তাকে আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন৷

চা শ্রমিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে নানক বলেন, আপনাদেরকে বিদ্যুৎ, স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক, সুপেয় পানির ব্যবস্থাসহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য পাঁচ হাজার করে টাকা দিচ্ছেন৷ এছাড়াও এই উপজেলায় সরকার প্রচুর উন্নয়ন করেছে। তাই আপনারা আগামীদিন নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন৷

নানক বলেন,এই নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনারা সজাগ থাকবেন এবং আপনারা কোন ভোট ভাগ করবেন না৷

শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেবের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো.মিছবাহুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.ফজলুর রহমান ফজলু, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক এ্যাড. রাধাপদ দেব সজল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক সহিদ হোসেন ইকবাল প্রমুখ।

الخميس، 30 سبتمبر 2021

লিডিং ইউনিভার্র্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

লিডিং ইউনিভার্র্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

 


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঘেরা সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে প্রতিবছরই বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষরোপণ করে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি সৌদি খেজুরের চারা রোপণ করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী আজিজুল মাওলা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার বনমালী ভৌমিক, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড.বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো.রেজাউল করিম,রেজিস্ট্রার মেজর (অব.) মো শাহ আলম, পিএসসি, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান এবং সহকারী রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ শেষে উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী আজিজুল মাওলা বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য বৃক্ষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ এবং ফলদ বৃক্ষরোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়, যা ক্যাম্পাসকে সাজিয়ে তুলছে এক নতুন রূপে। তিনি আরও বলেন, নতুন গাছ রোপণ ও পুরানো গাছগুলোর পরিচর্যা করার মাধ্যমে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় লিডিং ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে বটল পাম, কদম, নিম, তাল, নারিকেল, আমলকি, অর্জুন, হরিতকি, দারুচিনি, এলাচি, সোনালু, বহেরাসহ বিভিন্ন গাছ রোপণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন


নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই

নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই

 


ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ে বৈধ উপায়ে হয়নি, তদন্ত শেষে এমন প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মিজানুর রহমান। 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স দেওয়া সংক্রান্ত কাগজপত্র জালজালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। নাসিরকে বিয়ের আগে রাকিবকে ডিভোর্স দেননি তামিমা। তাই নাসির-তামিমার বিয়ে আইনত অবৈধ।  

চলতি বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মির পূর্বের স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে নাসির ও তার স্ত্রী তামিমার বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।

মামলায় দণ্ডবিধির ৪৯৪/৪৯৭/৪৯৮/৫০০ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিয়ের তথ্য গোপন করে অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়। আদালত পিবিআইকে মামলার বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এবারের ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকা তামিমাকে জমকালো উদযাপনে বিয়ে করেন নাসির। বিয়ের আলোচনা থামার আগেই তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান থানায় জিডি করেন।

জিডিতে রাকিবের অভিযোগ, তামিমার সঙ্গে ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন তিনি। তাদের ৮ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। অথচ তাকে ডিভোর্স না দেওয়ার পরও নাসির জেনেশুনে তামিমাকে বিয়ে করেন।

নাসিরকে বিয়ে করার আগে আরও একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তাম্মি। তাকে বিয়ে করে ছয় মাস সংসার করার পর ফিরে আসেন তিনি। এরপর নতুন করে নাসিরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সৌদি এয়ারলাইন্সের এ বিমানবালা।

বাংলাদেশ সময়: ১১৪৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১

 

 

 

 

الثلاثاء، 28 سبتمبر 2021

সিলেটে স্কুল মাঠের মেলার সরঞ্জাম সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

সিলেটে স্কুল মাঠের মেলার সরঞ্জাম সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

 


সিলেটের শাহজালাল উপশহরের আই ব্লকে অবস্থিত একাডেমি খেলার মাঠে মেলার জন্য তৈরি সব ধরনের অবকাঠামো ৩০ দিনের মধ্যে অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সিলেটের জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশনের মেয়র, ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

রিটকারীর আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, গত মার্চে ওই একাডেমি খেলার মাঠে এক মাসের জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা করার জন্য তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনকে (বিসিক) অনুমতি দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগ। তবে মেলার সময় শেষ হলেও একাডেমি খেলার মাঠে এখনো রয়ে গেছে মেলার স্টলের অবকাঠামোগুলো। এ অবস্থায় মাঠে থাকা টিনশেড, সরঞ্জামাদিসহ অন্য অবকাঠামো সরাতে সিটি করপোরেশনের মেয়রের কাছে আবেদন করেন শাহজালাল উপশহর একাডেমির সভাপতি এম এ ওয়াদুদ। এতে ফল না পেয়ে ১২ সেপ্টেম্বর তিনি রিটটি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ ফজলে এলাহী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস বলেন, ২০০০ সালের প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুসারে পৌর এলাকার উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান ও খেলার মাঠ কোনোভাবেই ইজারা, ভাড়া বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। অথচ নির্ধারিত সময়ের পর প্রায় ছয় মাস ধরে একাডেমির খেলার মাঠে এখনো অবকাঠামো ও বেষ্টনী রয়েছে। এসব অপসারণ চেয়ে রিটটি করা হয়। হাইকোর্ট আই ব্লকে অবস্থিত একাডেমি খেলার মাঠে মেলা উপলক্ষে থাকা সব ধরনের অবকাঠামো এক মাসের মধ্যে সরাতে নির্দেশ দিয়েছেন। সেখানে থাকা অবকাঠামো অপসারণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

সিলেটে বুধবারও চলবে গণটিকা

সিলেটে বুধবারও চলবে গণটিকা

 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে সিলেটেও দ্বিতীয় ধাপে প্রথম ডোজের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এই গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়। আগামীকাল বুধবারও এটি চলবে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সিলেট নগরীতে ৮২টি ও জেলা পর্যায়ে আরও ৩০৩টি কেন্দ্রে এই টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। যাদের সবাইকে সিনোফার্মের টিকা দেয়া হচ্ছে। সকাল থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষকে টিকা গ্রহণ করতে দেখা যায়।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রথম দিন ২৫ হাজার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মানুষের চাহিদা থাকলে আগামীকালও চলবে এই টিকা কার্যক্রম।

আর সিলেটের সহকারী সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত জানান- জেলা পর্যায়ে টিকার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৭০ হাজার। দুইদিন ব্যপী এ কার্যক্রমে শুধু নিবন্ধিতরাই টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।

الاثنين، 27 سبتمبر 2021

 গ্রামকে উন্নয়নে ভরপুর করেছে সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী

গ্রামকে উন্নয়নে ভরপুর করেছে সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী

 

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, এখন সারা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামে গঞ্জে রাস্তাঘাট, সেতু কালভার্টে গ্রামকে উন্নয়নে ভরপুর করেছে। গ্রামের মানুষ যা কল্পনা করতে পারেনি আওয়ামী লীগ উন্নয়নের মাধ্যমে সেটাই করছে।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে দরিদ্র পরিবারের মধ্যে গভীর নলকূপ ও টুইন-পিট ল্যাট্রিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সুনামগঞ্জের মানুষকে ভালোবাসেন।

তিনি হাওরকে ভালোবাসেন। তিনি আমাকে সবসময়ই জিজ্ঞেস করেন সুনামগঞ্জের মানুষ সরকারের সুবিধা পাচ্ছে কিনা, তাদের উন্নয়ন হচ্ছে কিনা। হাওরবাসীর উন্নত জীবনের কথা চিন্তা করেই শেখ হাসিনা টিউবওয়েল,স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাটিন দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার উজ জামানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নূর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবুল কাশেম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুর রব সরকার প্রমুখ।

السبت، 25 سبتمبر 2021

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেখে চিনারই উপায় নেই উনি শখ

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেখে চিনারই উপায় নেই উনি শখ

 


দেশের টিভি নাটকে এক সময় জনপ্রিয় মুখ ছিলেন। নানা রকম বিজ্ঞাপনেও রোজ দেখা মিলতো তার। দেশের প্রায় সব বড় শহর ছেয়ে গিয়েছিল তার হাসিমাখা ছবির বিলবোর্ডে। সেই আনিকা কবির শখ এখন শোবিজে অনিয়মিত।

গত বছর জানা যায় তিনি বিয়ে করেছেন। এবার খবর ভেসে এলো তিনি মা হতে যাচ্ছেন। এ খবর অবশ্য কোনো গুঞ্জন নয়। শখ নিজেই গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এ মুহূর্তে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে দেখা গেলো গর্ভবতী শখের কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। বিশেষ করে স্বামীর সঙ্গে তার ছবিটি নজর কেড়েছে সবার। এই ছবিতে শখ স্বভাবতই অনেকটা মুটিয়ে গেছেন দেখা যাচ্ছে। তার শারীরিক পরিবর্তনও লক্ষণীয়।

অনেকে ছবিটি দেখে শখের আগেকার সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা করে নানা রকম ‘বডি শেমিং’ করছিলেন। তারই প্রতিবাদে শোবিজের অনেক শিল্পী ও শখের অনুরাগীরা ছবিটি শেয়ার করছেন। সেই সঙ্গে মাতৃত্বের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছেন শখকে।

মা হওয়ার আনন্দ প্রকাশ করতে গিয়ে শখ কিছু দিন আগে জানিয়েছিলেন, ‘এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত। আমার দিন কেটে যায় একটা নতুন মানুষের কথা ভাবতে ভাবতে। আমাকে এ দীর্ঘসময় ধরে দেখভাল করা চিকিৎসক বলেছেন মনটাকে একদম ফ্রেশ রাখতে। আমি সময়টাকে উপভোগ করছি।’

শখের কোল আলো করে পূর্ণিমা চাঁদের হাসি নেমে আসুক তার অনাগত সন্তানের মুখে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১২ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন শখ। তার স্বামীর নাম রহমান জন। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার বলিয়াদি গ্রামে। বর্তমানে শখ সেখানেই অবস্থান করছেন। মাঝে মাঝে রাজধানীর উত্তরায়ও নিজেদের বাসায়ও থাকেন।


الخميس، 23 سبتمبر 2021

 ফেসবুকে মত প্রকাশ করা কি অপরাধ...?

ফেসবুকে মত প্রকাশ করা কি অপরাধ...?

 

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার, ০৮:১১ অপরাহ্ণ
 
 

ফেসবুকে নিজের মত প্রকাশ করা, কারো সমালোচনা করা কোনোভাবেই অপরাধ নয়। স্বাধীন রাষ্ট্রে সকলের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে- এমন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, মুক্তিযোদ্ধা তবরাক হোসাইন প্রশ্ন তোলেছেন, কোন অপরাধে ঝুমন দাসকে ছয় মাস ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে? তার অপরাধ কি?

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঝুমন দাসের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদী কর্মসূচীতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্যে এমন প্রশ্ন তোলেন তবরাক হোসাইন।

তিনি বলেন, ঝুমন দাস হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করে ফেসবুকে লিখেছেন। এই মামুনুল হকের সমালোচনা সংসদে দাঁড়িয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীও করেছেন। নানা অভিযোগে মামুনুল কারাগারেও আছেন। তারপরও মামুনুলের সমালোচনার কারণে ঝুমনকে কেনো ছয় মাস ধরে জেলে থাকতে হবে?

হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে গত ১৬ মার্চ গ্রেপ্তার হন সুনামগঞ্জের শাল্লার যুবক ঝুমন দাস। পর দিন ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকীর দিন সকালে ঝুমনের গ্রাম নোয়াওগাওয়ে হামলা চালায় হাজারো সশস্ত্র লোক। তারা ভাংচুর করে ওই গ্রামের প্রায় ৯০টি হিন্দু বাড়ি। বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই জামিন লাভ করেছেন। তবে ছয় মাসেও জামিন মিলেনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ঢা ঝুমনের।

এর প্রতিবাদে এবং ঝুমন দাসের মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার সিলেটে এই প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচীর আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘দুষ্কাল প্রতিরোধে আমরা’।

প্রতিবাদী কর্মসূচীর শুরুতে শাল্লার নোয়াগাওয়ে হামলা, ঝুমনের গ্রেপ্তার ও জামিন না পাওয়ার পুরো পেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘দুষ্কাল প্রতিরোধে আমরা’র সংগঠক আব্দুল করিম কিম।

তিনি বলেন, ঝুমন দাস একজন গ্রাম্য যুবক। সে মামুনুল হককে নিয়ে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলো সেটিকে পুঁজি করে একটি গোাষ্ঠি হাজার হাজার মানুষকে উসকে দিয়ে সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘরে হামলা চালায়। আমরা সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি। সেদিন কি পরিমাণ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো মানুষগুলো। অথচ নিজেদের প্রাণ রক্ষায় হামলার আগের রাতেই ঝুমন দাসকে আইনের হাতে তুলে দিয়েছিলো সংখ্যালঘু গ্রামটির বাসিন্দারা। তার পরও তারা রক্ষা পায়নি। এ ঘটনায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘরে হামলায় মামলা হয়েছে, কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিলো। কিন্তু তারা সবাই জামিন পেয়েছেন। আর ঝুমন দাস এখনো জেল হাজতে। তার ৬ মাসের সন্তান নিয়ে অসহায় স্ত্রী পথে পথে ঘুরছেন। আমরা ঝুমন দাসের মুক্তি চাই। সেই সাথে ডিজিটাল কালো আইন নামক যে আইনে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, এই কালো আইন দিয়ে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা নষ্ট করা হয়েছে- সে আইন বাতিল দাবি করছি।

‘দুষ্কাল প্রতিরোধে আমরা’র সংগঠক দেবাশীষ দেবুর সঞ্চালনা এ অবস্থান কর্মসূচিতে সমাপনী বক্তব্যে প্রবীণ আইনজীবী তবারক হোসাইন বলেন, স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় নিবর্তনমূলক আইনের মাধ্যমে বাঙালিদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিলো, শোষণ-নির্যাতন ছিলো। তাই আমরা এমন দেশ চেয়েছিলাম যেখানে শোষণ নির্যাতন থাকবে না। আমাদের মূল সংবিধানে নিবর্তনমূলক কোন আইনও ছিলো না। পরে এগুলো যুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বাধীনতা হরণ হয়েছে। যার উদাহরণ ঝুমন দাস। সে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলো সেটি আমি পড়েছি। স্ট্যাটাসে কিছু অতিরঞ্জন থাকতে পারে। তবে এটা কোনোভাবেই অপরাধ নয়।

তবারক বলেন, এ দেশে ওয়াজ মাহফিলের নামে প্রতিনিয়ত মানুষের ধর্মানুভ’তিতে আঘাত করা হয়। সব ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ ফেসবুকে নীরিহ কেউ কিছু লিখলেই তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়। এই আইন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

এই আইনজীবী বলনে, ঝুমনের জামিনের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট দেওয়ার কথা। আশা করি মহামান্য হাইকোর্ট যথাযথ বিবেচনার মাধ্যমে ঝুমন দাসকে জামিন দিবেন। এবং সরকার তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব এনামুল মুনির, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগরের সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেটের সমন্বয়ক উজ্জ্বল রায়, হাওর ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক কাশমির রেজা, কবি আবিদ ফায়সাল, সারী বাঁচাও আন্দোলন নেতা আব্দুল হাই আল হাদি, শিক্ষক ও সংগঠক প্রণবকান্তি দেব, আইনজীবী দেবব্রত চৌধুরী লিটন, মাহবুব রাসেল, প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী নিরঞ্জন সরকার অপু, তানভীর রুহেল, হিতাংশু কর বাবু, রাজীব রাসেল প্রমুখ।

 সিলেটে ৬ দফা দাবিতে পরিবহণ শ্রমিকদের মানববন্ধন

সিলেটে ৬ দফা দাবিতে পরিবহণ শ্রমিকদের মানববন্ধন

 

                                         @thesylhetnews.net News & Media Website


সিলেটে সিএনজি চালিত অটোরিক্সার বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের মামলা, জরিমানা ও রেকারিং হয়রানির প্রতিবাদে এবং ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক সমিতি-২৭৮৫, সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন-৭০৭ এবং সিলেট জেলা অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, শ্রমিক জোট রেজি নং-২০৯৭ এর উদ্যোগে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-৭০৭ এর সভাপতি এবং সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকারিয়া আহমদ বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। তারপর পরিবহণ বন্ধ হয়ে যায়। পরিবহণ বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা রোজগার না করতে পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে। সরকার লকডাউন শীতিল করায় পরিবহণ শ্রমিকরা আবারও কাজে ফিরে। কিন্তু সিলেটের ট্রাফিক বিভাগের অসাধু পুলিশ কর্মকর্তারা পরিবহন শ্রমিকদের অযথা হয়রানি করছে। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলেই মামলা ও জরিমানা প্রদান করে যাচ্ছে। প্রতিদিন গাড়ি চালিয়ে শ্রমিকরা এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা রোজগার করে। অথচ ট্রাফিক পুলিশ অযথা মামলা জরিমানা করে চালকদেরকে হয়রানি করছে। যাত্রী পরিবহণেও পাঁচ জনের জায়গায় তিনজন না নিলে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করছে। তাদের কারণে যাত্রীদেরও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগ পরিবহণ শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আগামী ৩ অক্টোবরের মধ্যে ৬ দফা দাবি না মানলে পরিবহণ ধর্মঘট দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, বিআরটিএর দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে চালকরা সঠিকভাবে লাইসেন্স পাচ্ছে না। আর সে সুযোগ নিচ্ছে অসাধু ট্রাফিক বিভাগের কিছু পুলিশ কর্মকর্তারা। যদি বিআরটিও দূর্নীতি বন্ধ না করা হয় তাহলে আমরা বিআরটি অফিস ঘেরাও করতে বাধ্য হবো।

মানববন্ধনে বক্তারা ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবি সমূহের মধ্যে হল- সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বর্ধিত কর প্রত্যাহার করতে হবে। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ইং এর সংশোধন সহ বিধিমালা প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক মামলা দেওয়া এবং মাত্রাতিরিক্ত জরিমানা বন্ধ করতে হবে। অবৈধ ব্যাটারি চালিত রিক্সা, অটোবাইক, টমটম, মটরবাইক ও প্রাইভেট, কার-লাইটেস দ্বারা যাত্রী পরিবহন বন্ধ করতে হবে। সিলেট জেলায় ও মহানগরে সিএনজি অটোরিক্সার জন্য পার্কিং স্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

সিলেট জেলা ও মেট্রো আর.টি.সিতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সার মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে হবে। নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণে ও ট্যাক্স, ফিটনেস, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়নে এবং মালিকানা বদলি সহ সকল কার্যক্রমে বি.আর.টিএ সিলেটের সকল প্রকার দূর্নীতি ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক রেকারিয় সহ প্রতিযোগিতা মূলক মামলা ও জরিমানা প্রদান বন্ধ করতে হবে।

সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি শাহ মো. দিলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা কমিটির সদস্য রাজা আহমদ রাজার পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক সমিতি-২৭৮৫ এর কার্যকরি সভাপতি জামিল আহমদ, সহ-সভাপতি ইকবাল আহমদ চৌধুরী সাহাব, সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক মো: বুলবুল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মো: হানিফ মিয়া, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো; বেলাল আহমদ, প্রচার সম্পাদক ইহসানুল হক সানুর, সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন-৭০৭ এর কার্যকরি কমিটির সভাপতি মো; সুন্দর আলী খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: শাহাব উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক কাওছার আহমদ, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সদস্য মো: লিটন আহমদ, কল্যাণ সম্পাদক মো: মন্নান মিয়া।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন-৭০৭ এর সদস্য তপন, বরকত আলী, আশরাফ চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, সিলেট জেলা অটোটেম্পু ও অটোরিক্সা শ্রমিক জোট-২০৯৭ এর সভাপতি খলিল খাঁন, কার্যকরী সভাপতি মো: মতছির আলী, সিলেট সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-৭০৭ এর সহ-সভাপতি আবুল হোসেন খান প্রমুখ।

সিলেটের জাফলংয়ে তাহসান-সাবিলাদের শুটিং

সিলেটের জাফলংয়ে তাহসান-সাবিলাদের শুটিং

The Sylhet News Suhan Online Website

সিলেটের জাফলং এক অপরূপ পর্যটনকেন্দ্র। যেখানে পাহাড়ের চূড়া ছুঁয়ে ভেসে বেড়ায় মেঘ। তিনদিন সেখানে শুটিং করে ঢাকা ফিরেছেন তাহসান, মাজনুন মিজান ও সাবিলা নূর। টিভি নাটকের এই তিন ব্যস্ত অভিনেতা-অভিনেত্রী জাফলং গিয়েছিলেন ‘আকাশের ওপারে আকাশ’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মের শুটিংয়ে।

সারা বছর ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট কিছু লোকেশনে শুটিং করে খানিকটা একঘেঁয়ে পরিস্থিতি তৈরি হয়। আউটডোরে শুটিং হলে শিল্পীদের উচ্ছ্বাসও তাই বেড়ে যায়। আর জায়গাটা পাহাড় হলে তো কথাই নেই। একটু ঘোরাঘুরি, একটু কাজ—সময়টা কেটে যায় ভালো।

শুটিংয়ের তিনটা দিন দারুণ কেটেছে তাহসানের। জাফলং তাঁর পছন্দের জায়গা। জানালেন, বেড়াতে ও কাজে আগেও অনেকবার গেছেন সেখানে। এবার ভালো একটি কাজ শেষ করে ফিরতে পেরেছেন—এটাই বাড়তি আনন্দের।

‘আকাশের ওপারে আকাশ’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করে ভীষণ খুশি মাজনুন মিজানও। তিনি বলেন, এটির পরিচালক নাহিয়ান আহমেদ। তরুণ নির্মাতা। সুন্দর কাজ করেন। নান্দনিক চিত্রায়ন উঠে আসে তাঁর ফ্রেমে। আমার খুব ভালো লেগেছে ওর সঙ্গে কাজ করে। এতে আমি অভিনয় করেছি তাহসানের বন্ধুর চরিত্রে।

এ ওয়েব ফিল্মে তাহসানের স্ত্রীর চরিত্রে আছেন সাবিলা নূর। গল্পে তিনি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। মাজনুন মিজান জানিয়েছেন, ব্যবসায়িক কাজে ভীষণ ব্যস্ত তাহসান স্ত্রীকে মোটেই সময় দিতে পারেন না।

স্ত্রী বিবাহবার্ষিকী পালনের আয়োজন করেন, কিন্তু সেখানেও থাকতে পারেন না তাহসান। বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর স্ত্রী নিখোঁজ। কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। স্ত্রীকে খুঁজতে খুঁজতে বন্ধু মিজানকে সঙ্গে নিয়ে জাফলংয়ে পৌঁছে যান তাহসান।

আপাতদৃষ্টিতে গল্পটি সরল মনে হলেও ঘটনায় আছে অনেক উত্থান-পতন, জানালেন নির্মাতা নাহিয়ান আহমেদ। গল্পটি লিখেছেন কাজী আসাদ। এতে আরও অভিনয় করেছেন মুকুল সিরাজ।

জৈন্তাপুরে দেবরের হাতে ভাবি খুন

জৈন্তাপুরে দেবরের হাতে ভাবি খুন

 


সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় দেবরের হাতে ভাবি খুনের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের করপাড়া গ্রামে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 নিহত সোনারা বেগম (৪৫) ওই গ্রামের ওহাব মিয়ার স্ত্রী। এ দম্পতির তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। তারা হলেন- গ্রামের ওমার আলীর ছেলে আবদুল করিম (৪০) ও করিমের স্ত্রী শিরিন বেগম।

করিম সম্পর্কে সোনারা বেগমের দেবর হন।

খুনের ঘটনাটি সিলেটভিউকে নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর থানার ওসি গোলাম দস্তগীর।

তিনি সিলেটভিউকে জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপানোর কারণে খুন হয়েছেন সোনারা বেগম।

ওসি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।




الأربعاء، 22 سبتمبر 2021

মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে বকা, শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা

মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে বকা, শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা

 


মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় মোবাইলে লুডু খেলা নিয়ে বকা দেওয়ায় রতন মোল্লা নামে এক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আরও এক শিশু আহত হয়েছে।


মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কসংলগ্ন নির্জন স্থান থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বুধবার (২২ সেপ্টম্বর) মো. মেহেদী হাসান (১৮) নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।


নিহত রতন মোল্লা (৮) শিবচর উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের চরকান্দি এলাকার কৃষক জসিম মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় আহত সোহান (৯) একই এলাকার নাসির সিকদারের ছেলে।

অভিযুক্ত মেহেদী হাসান একই উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি মা বাবার সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের চরকান্দি এলাকার নানা আনসু বেপারির বাড়িতে কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে বেড়াতে যান মো. মেহেদী হাসান। বাড়িতে যাওয়ার পর মেহেদী রতন মোল্লা ও সোহানের সঙ্গে মোবাইলে গেম খেলতেন। মঙ্গলবার সকালে সোহানের মায়ের মোবাইলে তারা তিনজন লুডু খেলে। খেলার সময় ছোট্ট রতন ও সোহান মেহেদীকে বকা দেয়। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মেহেদী রতন ও সোহানকে হত্যার ছক কষেন। সে মোতাবেক গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঘোরানো ও নতুন রেস্টুরেন্টে খাওয়ানোর কথা বলে পদ্মা সেতুর এপ্রোচ সড়ক সংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে সোহানকে পানি ও চানাচুর আনার জন্য ১০০ টাকা দিয়ে দোকানে যেতে বলেন। সোহান খাবার আনতে চলে যায় ততক্ষণে সন্ধ্যা নেমে গেছে। সোহান যেতেই মেহেদী রতনকে ওই নির্জন স্থানে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

প্রায় ২০ মিনিট পর সোহান এসে রতন কোথায় জানতে চায়। মেহেদী জানান, রতন বাড়ি চলে গেছে। এ কথা বলে মেহেদী সোহানকে নিয়ে বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় যান। সেখানে নিয়ে সোহানকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা করলে চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে এবং মেহেদী নানা বাড়ি পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা সোহানকে উদ্ধার করে।
নানা বাড়িতে পরিবারের লোকজন মেহেদীর সারা শরীরে কাদামাখা দেখে রতন ও সোহানের খোঁজ চায় স্বজনরা। কৌশলে মেহেদী বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে স্বজনরা শিবচর থানায় খবর দেয়।

পরে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে এবং ঘটনাস্থলে রতনের লাশ দেখিয়ে দেয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় মোবাইল ফোনটিও। বুধবার মধ্যরাতে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘মোবাইলে লুডু খেলার সময় ওরা আমার বাবা মাকে বকা দেয়। তাই ওদের আমি হত্যা করি।’

এ বিষয়ে শিবচর থানার ওসি মো. মিরাজ হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোবাইলে লুডু খেলার সময় বকা দেওয়া নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আটক হওয়া মেহেদী ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে সপ্তাহে ক্লাস হবে দুইদিন

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে সপ্তাহে ক্লাস হবে দুইদিন

 


আগামী সপ্তাহ থেকে প্রাথমিক স্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে দুইদিন করে হবে। এখন সপ্তাহে এক দিন করে ক্লাস হচ্ছে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এর আগে, গত সোমবার থেকে মাধ্যমিকের অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাস এক দিন করে বাড়িয়ে সপ্তাহে দুই দিন করা হয়। তখন থেকেই প্রাথমিক স্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসও এক দিন করে বাড়ানোর চিন্তা করা হচ্ছিল।

গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। এখন চলতি বছরের ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। আর অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে এক দিন করে হচ্ছে।

এদিকে শিশু শ্রেণি, নার্সারি ও কেজি শ্রেণির মতো প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিকক্ষের ক্লাস আপাতত বন্ধ রয়েছে।

সিলেটে প্রভাবশালীদের পেটে সড়ক

সিলেটে প্রভাবশালীদের পেটে সড়ক

সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। দূরত্ব প্রায় দেড় কিলোমিটার। সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের এ অংশের উভয় পাশে গড়ে উঠেছে কয়েক শ অবৈধ স্থাপনা। সড়কের জায়গা দখল করে প্রভাবশালীদের কেউ গড়ে তুলেছেন স্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কেউ খোলা জায়গায় ফেলে রেখেছেন নির্মাণসামগ্রী। কেউ আবার সড়কের জায়গা ভাড়া দিয়ে আদায় করছেন মাসোয়ারা। এ অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযানে মাঠে নেমেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

গতকাল প্রথম দিন কদমতলী মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির অফিস পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশ থেকে অন্তত ২০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

সিসিকসূত্র জানান, সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের কদমতলী থেকে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ দীর্ঘদিন ধরে বেদখল হয়ে আছে। প্রভাবশালীরা যে-যার মতো সড়কের জায়গা দখল করে গড়েছেন স্থাপনা। কেউ দোকানপাট নির্মাণ করে দেদার চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসা। কেউ আবার মার্কেট বানিয়ে আদায় করছেন ভাড়া। সড়কের জায়গায় অবৈধভাবে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে যা এত দিন অনেকেরই ছিল অজানা। এ অবৈধ দখলদারির বিষয়টি ধরা পড়ে সিটি করপোরেশন সড়কের পাশে ড্রেন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর।

শেষ পর্যন্ত প্রভাবশালী দখলদারদের সব ধরনের অনুরোধ উপেক্ষা করে গতকাল সিটি করপোরেশন সড়কের জায়গায় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করে। বুলডোজার লাগিয়ে একে একে ভেঙে ফেলা হয় অবৈধ স্থাপনা। এ সময় অনেক স্থাপনার মালিক মেয়র ও স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে সময় চান। কিন্তু এর আগে নোটিস দেওয়ার পরও স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণ না করায় তাদের সময় দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তারা। সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও স্থানীয় কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপনের নেতৃত্বে শুরু হয় অভিযান।

প্রথম দিনের অভিযানে সড়কের উভয় পাশের অন্তত ২০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় বলে জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

মেয়র জানান, এসব অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় উচ্ছেদের জন্য আগেই সংশ্লিষ্টদের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। মাইকিংও করা হয়েছে। কিন্তু কেউ নির্দেশনা অনুসরণ না করায় এ অভিযান। যা অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দেন তিনি। মেয়র আরিফ জানান, সড়কের উভয় পাশে ৩০-৪০ ফুট জায়গা দখল করে রাখা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা যেভাবে দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন তাতে কারোই মনে হবে না এটা সরকারি জায়গা। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে সম্প্রতি ওই এলাকায় রাস্তার পাশে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই সময়ই অবৈধ স্থাপনাগুলো অপসারণের প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়া সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করে ওই জায়গায় ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে করা হবে। সড়ক সম্প্রসারণ করে ডিভাইডার বসানো হবে। এজন্য বিদ্যুতের খুঁটিও সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে কদমতলী থেকে পুব দিকের সড়ককে একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় পরিণত করা হবে। এতে শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, জনদুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি সেবার মানও বৃদ্ধি পাবে। জনগণও উপকৃত হবেন।

সিসিকের দাবি ৪৫ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ চায় ২৫ কোটি

সিসিকের দাবি ৪৫ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ চায় ২৫ কোটি

 


 

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ৪৫ কোটি টাকা দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে। বিদ্যুতের আন্ডারগ্রাউন্ড (ভূগর্ভস্থ) তার বসাতে গিয়ে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সংস্কার বাবদ এই টাকা দাবি করেছে সিসিক। অন্যদিকে, সিসিকের কাছে বকেয়া বিল বাবদ ২৫ কোটি টাকা চাইছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বকেয়া বিল জমতে জমতে ৩৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছিল। চলতি বছর দুই ধাপে ১০ কোটি টাকাo  পরিশোধ করে সিসিক। বাকি টাকার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে চাপ আছে সিসিকের উপর।

 

 সিসিক সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় সাড়ে ১৪ কিলোমিটার বিদ্যুতের আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল (ভূগর্ভস্থ তার) স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপদ বিদ্যুতায়ন ও মাটির উপরস্থ তারের জঞ্জাল থেকে মুক্তি পেতে আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। আগামীতে আরও ২৫ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক তার স্থাপন করা হবে নগরীতে।

সিসিক বলছে, সাড়ে ১৪ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক তার স্থাপনে খুড়াখুড়ির কারণে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারে সবমিলিয়ে সিসিকের ব্যয় হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা। যেহেতু কাজ করেছে পিডিবি, সেহেতু সংস্কারের এই টাকা তাদেরই দেওয়ার কথা।

এই ৪৫ কোটি টাকা চেয়ে সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দিয়েছে সিসিক।

জানতে চাইলে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান সিলেটভিউকে বলেন, ‘আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল প্রকল্প বাস্তবায়নে রাস্তার অনেক ক্ষতি হয়। রাস্তা মেরামত করেছি আমরা। এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে ৪৫ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।’

এদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগ বকেয়া বিল বাবদ সিসিকের কাছে ২৫ কোটি পাবে। বছরের পর বছর ধরে বিল বকেয়া হতে হতে এই টাকার পাহাড় জমেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিতরণ অঞ্চল সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল কাদির সিলেটভিউকে জানান, ওয়ান-ইলেভেনের (সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার) সময় সিসিক কর্তৃপক্ষ বিদ্যুতের সকল বকেয়া পরিশোধ করেছিল। এরপর থেকে বিল বকেয়া রাখতে শুরু করে সিসিক। বার বার তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠালেও বিল সব পরিশোধ করা হয়নি। সিসিক অর্থ সংকটের কথা বলে।

সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান সিলেটভিউকে বলেন, ‘বিদ্যুতের বকেয়া ৩৫ কোটি টাকা ছিল। এ বছর ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সর্বশেষ গেল জুনে ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয় বিদ্যুৎকে। বর্তমানে তারা ২৫ কোটি টাকা পাবে সিসিকের কাছে।’

নূর আজিজ জুনে পাঁচ কোটি টাকা পরিশোধের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে মে মাসে ৫ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭২৩ টাকা পরিশোধ করে সিসিক।

এদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা আবদুল কাদির অতি সম্প্রতি সিলেটভিউয়ের সাথে আলাপকালে সিসিকের কাছে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ৩৫ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেন।

তবে পিডিবির বিতরণ অঞ্চল সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিলেটভিউকে বলেন, ‘আসলে হিসেবে একটু গড়বড় হয়ে গেছে। ৩৫ কোটি ছিল আগে, তারা (সিসিক) ১০ কোটি পরিশোধ করেছে। এখন বকেয়া ২৫ কোটি টাকা। অবশ্য সিলেট মহানগরীর সব থানা এলাকা মিলিয়ে ৩৫ কোটি টাকার মতো বকেয়া আছে।’

সিলেট মহানগরীতে ছয়টি থানা আছে। এসব থানার আওতাভুক্ত সকল এলাকা সিসিকের অন্তর্ভূক্ত ছিল না। সম্প্রতি সিসিকের আয়তন বাড়ায় এসব এলাকা অন্তভূর্ক্ত হয়েছে। তবে নতুন অন্তর্ভূক্ত এলাকায় এখনও সিসিকের কার্যক্রম শুরু হয়নি।

বিদ্যুতের বকেয়া বিষয়ে আরও জানতে সিলেটভিউয়ের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় বিভাগীয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (হিসাব) বিধু ভূষণ চক্রবর্তীর সাথে। তিনি বিষয়টি নিয়ে পিডিবির বিতরণ অঞ্চল সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল করিমের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল করিম সিলেটভিউকে বলেন, ‘সিসিকের কাছে বিদ্যুতের বড় অঙ্কের বিল বকেয়া। আমরা তাদেরকে বিল পরিশোধের জন্য বার বার তাগিদ দিচ্ছি।’

সিসিকের ৪৫ কোটি টাকা পাওনা দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উনারা যে টাকা দাবি করেছেন, সেটা সাম্প্রতিক আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল টানা কাজের। আর বিদ্যুতের বকেয়া কিন্তু অনেক আগের।’

এদিকে, সিসিকের দাবিকৃত ৪৫ কোটি টাকা এবং বিদ্যুতের পাওনা ২৫ কোটি টাকার মধ্যে সমন্বয় করা যায় কিনা, সে আলোচনাও চলছে।

এ প্রসঙ্গে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান সিলেটভিউকে বলেন, ‘আমরা সমন্বয় করতে চাই। এখন তাদের দিক থেকেও সাড়া আসতে হবে।’

পিডিবির বিতরণ অঞ্চল সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল করিম বলেন, ‘সমন্বয়ের বিষয়টি উপর মহলের বিষয়। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত এলে হবে।